
গাইবান্ধার সাঘাটায় মাদক কারবারে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তারের পর ছয় মাস আগে বহিষ্কার হন ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকালীন তিনি আবারও পদে ফিরে আসেন। পরে মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) রাতে তাকে ফের গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি জানাজানি হয় বুধবার রাতে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাঘাটা থানার এসআই আব্দুল হান্নান ও এএসআই আবু কালাম আজাদ বিশেষ অভিযান পরিচালনাকালে বারোকোনা বাজারস্থ রিয়াদ-রাহাত মোবাইল পয়েন্ট দোকানের সামনে মাদক বিক্রির খবর জানতে পারেন। এ সময় ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে নাজমুল হক নয়ন ও সাইফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের দেহ তল্লাশি করে ১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়। অভিযানের সময় ইসমাইল হোসেন নামের আরো একজন পালিয়ে যান। এ ঘটনায় সাঘাটা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, উপজেলার কামালেরপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক উক্ত সাইফুল ইসলাম ২০২৫ সালের ২২ অক্টোবর রাতে নিজ বাড়ি থেকে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হন। পরদিন ২৩ অক্টোবর তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। মাদক কারবারে জড়িত থাকা সত্ত্বেও কিছুদিন পরেই আবারও তাকে গোপনে ইউনিয়ন আহ্বায়কের পদ ফিরিয়ে দেয় উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটি। পদ ফিরে পেয়েই একইভাবে ফের মাদকের কারবার শুরু করেন যুবদলের ওই নেতা।
এ ব্যাপারে কথা হলে সাঘাটা উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহ্বাায়ক ইখতিয়ার আহমেদ সুজন বলেন, মাদক কারবারিদের দলে কোনো স্থান নেই। এমন লোকদের কেন দলে ঠাঁই দেওয়া হচ্ছে প্রশ্ন ছুড়ে তিনি বলেন, দলে খারাপ লোকদের প্রভাব বিস্তার থাকার কারণে ভালোরা কোণঠাসা হয়ে পড়েছে।
সাঘাটা উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আহমেদ কবির শাহীন বলেন, তখন বিশেষ পরিস্থিতির কারণে তাকে দলে ভেড়ানো হয়েছিল। অভিযোগ যেহেতু গুরুতর, সে কারণে এবার জেলা কমিটি তাকে বহিষ্কার করুক।