গাইবান্ধায় নিজ ঘরে গৃহবধুর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার, পাশেই পড়ে ছিল পুরুষাঙ্গ



 গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় একটি ভাড়া বাসা থেকে ববিতা খাতুন (৩০) নামে এক গৃহবধূর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৮ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার বেতকাপা ইউনিয়নের ঢোলভাঙ্গা আমলাগাছী এলাকার একটি বাসা থেকে এই মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থল থেকে একটি বিচ্ছিন্ন পুরুষাঙ্গও উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী হারুন মিয়া পলাতক রয়েছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ থেকে সংবাদ পেয়ে পুলিশ আমলাগাছী এলাকার ওই ভাড়া বাসায় পৌঁছায়। সেখানে ঘরের ভেতর বিছানার ওপর ববিতা খাতুনের গলাকাটা নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। তল্লাশির সময় মরদেহের পাশেই একটি কাটা পুরুষাঙ্গ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের ধারণা, উদ্ধারকৃত পুরুষাঙ্গটি ববিতার স্বামী হারুন মিয়ার। একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহের জেরে একপর্যায়ে ববিতা তার স্বামীর পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এরপরই ক্ষিপ্ত হয়ে হারুন তার স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করে আহত অবস্থায় পালিয়ে যান। পুলিশ এই ঘটনার নেপথ্যে অন্য কারও সম্পৃক্ততা আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে। তবে তদন্তের স্বার্থে এই মুহূর্তে এর বেশি তথ্য প্রকাশ করতে রাজি হয়নি কর্তৃপক্ষ। পলাশবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সারোয়ার আলম খান ঘটনা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। অভিযুক্ত স্বামীকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

নবীনতর পূর্বতন

Smartwatchs