২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে ৪ আগস্টের রক্তক্ষয়ী আন্দোলনের দিনে বুক চেঁতিয়ে বুলেটের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন জুলাই যোদ্ধা হাসান আলী ।
সেদিন ছররা বুলেটের আঘাতে গুরুতর আহত হন তিনি । দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা নিলেও এখনো তিনি হতে পারেনি পুরোপুরি সুস্থ । কিন্তু তার সেই প্রতিবাদী মনোভাব তো থেমে যাবে না।
জানা যায় , ডোমার উপজেলার পাঙ্গা চৌপথী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের কমিটি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিবাদ চলছিল ।
আজ শুক্রবার (১৬ জানুয়ারী) কমিটি এটি নিয়ে পূনরায় হট্টগোল হয় , বারবার একি ঘটনার পূনরাবৃত্তি যাতে না ঘটে এজন্য জুলাই যোদ্ধা হাসান আলী বিষয়টি সমাধান করার লক্ষ্যে মীমাংসার কথা বলেন এবং জনগণের সম্মতিতে নতুন করে কমিটি গঠনের দাবি জানান ।
এরমধ্যে একপক্ষ ক্ষিপ্ত হয়ে সংগবদ্ধভাবে হাসান আলীর উপর আক্রমণ করে ।
হামলায় আহত হাসান আলীর ভাষ্যমতে তার উপর মতিয়ার (৬০) একরাম (৫০), আনিছুর (৪৮), মতিন (৩৬) , আব্দুল মজিদ (৫৫), মকবুল হোসেন (৭০) , মিজানুর (৪০) লিয়াকত হোসেন (৫৫), তফিজার রহমান, সমছের রহমান মাকু (৬০), মানিক, আতিকুল ইসলাম , মাজিদুর রহমান বর্ণিত ব্যক্তিরা সঙ্গবদ্ধভাবে হামলা চালায় । এবং উপর্যুপরি আঘাত করতে থাকে ।
হাসান আলীর মুখমণ্ডলে এখনো আনুমানিক ৩০ টি ছররা বুলেট বিদ্ধ অবস্থায় থাকায় মুখে এবং মাথায় আঘাত করার কারণে গুরুতরভাবে আহত হন ।
পরবর্তীতে হাসান আলীকে উদ্ধার করে ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়, এবং সেখানে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন ।
এ ব্যাপারে আইনি প্রক্রিয়ার কাজ চলমান বলে জানা গেছে