শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে জামায়াতের হামলার শিকার হয়ে যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম নিহত হয়েছেন—এমন একটি দাবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এই দাবিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও গুজব বলে নিশ্চিত করেছেন সাইফুল ইসলাম নিজেই।
ভাইরাল হওয়া ওই মৃত্যুর দাবির পর ফেসবুক লাইভে এসে সাইফুল ইসলাম জানান, পরে ফেসবুক লাইভে এসে তিনি বলেন, আমি মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জিনিতি, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক। কে বা কারা গুজব ছড়িয়েছে যে আমি মারা গেছি—এই তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা। আলহামদুলিল্লাহ, আমি জীবিত ও সুস্থ আছি। আমি মারা যাইনি।
তিনি আরও বলেন, আমার বিষয়ে এ ধরনের গুজবে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সবাইকে অনুরোধ জানাচ্ছি। দয়া করে কেউ গুজবে কান দেবেন না এবং গুজব ছড়াবেন না। আপনারা সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। আমার জন্য দোয়া করবেন।
এ ঘটনায় ফ্যাক্ট চেকিং সংস্থা রিউমার স্ক্যানারও তাদের ফেসবুক পেজে একটি পোস্টে বিষয়টি স্পষ্ট করেছে। সংস্থাটি জানায়, ‘শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে জামায়াতের হামলার শিকার যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম কিছুক্ষণ আগে মারা গেছেন’—শীর্ষক একটি দাবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়েছে। তবে যাকে নিহত বলা হচ্ছে, তিনি নিজেই ফেসবুক লাইভে এসে এ তথ্যকে গুজব বলে দাবি করেছেন।
উল্লেখ্য, বুধবার (২৮ জানুয়ারি) শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় জামায়াত ও বিএনপির মধ্যকার সংঘর্ষের ঘটনায় সাইফুল ইসলাম আহত হন। তবে তাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া মৃত্যুর খবরটি সত্য নয় বলে তিনি নিজেই প্রকাশ্যে নিশ্চিত করেছেন।