রাস্তা বন্ধ করে বললেন "আমি যাবোনা , থানা আমার এখানে আসবে"

 


নীলফামারী জেলা ডোমার উপজেলার , নিজ ভোগডাবুড়ী ৫ নং ওয়ার্ডে  হামিদুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন।   হামিদুল ইসলামের চলাচলের একমাত্র রাস্তা পার্শ্ববর্তী মজিবর রহমানের বাড়ির সামনে দিয়ে। একই রাস্তা দিয়ে কয়েকটি বাড়ির লোকজনের পাশাপাশি হামিদুল ইসলামের পরিবার চলাচল করে । 

মজিবর রহমান ও তার স্ত্রী লিপি বেগম দীর্ঘদিন ধরে বিনা কারনে রাস্তাটি বন্ধ করে চলাচলের বিঘ্নতা ঘটায় । 

গত রবিবার সকালে হামিদুল ইসলামের ৩য় শ্রেণীতে পড়ুয়া  ছোট ছেলে সাদেকিন স্কুলে যাওয়ার সময় মজিবর রহমানের স্ত্রী তাকে মারধর করে সাইকেলটি কেড়ে নেয়। পরবর্তীতে সাইকেলের জন্য গেলে না দিয়ে বরং পুরো পরিবারকে ডেকে পাঠায় এবং বলে যে তোমাদের এই রাস্তা দিয়ে হাঁটা বন্ধ । 

পরবর্তীতে সন্ধ্যা বেলা মোঃ হামিদুল ইসলামের পথরোধ করলে তিনি জরুরি সেবা ৯৯৯ এ অভিযোগ করেন। সেখান থেকে পুলিশ সদস্যরা গিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ওনাকে বাড়িতে যাওয়ার সুযোগ করে দেন এবং পরদিন থানায় ডেকে পাঠান । চিলাহাটি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ সদস্যরা বুধবার পর্যন্ত তদন্তপূর্বক দুই পক্ষকে সালিশের জন্য ডাকলে মজিবর রহমানের স্ত্রী লিপি বেগম বলেন আমি থানায় যাব না বরং থানা আমার বাড়িতে আসবে । একথা বলে তুমি পুনরায় সেই রাস্তায় বেড়া দিয়ে রাস্তাটি বন্ধ করে দেন। ফলে পরিবারটি পুরোপুরি অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে ।


সাংবাদিকরা হামিদুল ইসলামের পরিবারের সঙ্গে কথা বললে তারা জানায় "আমাদের চলাচলের একমাত্র রাস্তাটি বন্ধ করায় আমরা নানাবিধ সংকটে পড়ছি "


স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বললে তারা এমন ঘটনার নিন্দা জ্ঞাপন করেন এবং বলেন এরকম ঘটনা মানবিক দিক দিয়ে ঘৃণিত কাজ।

নবীনতর পূর্বতন

Smartwatchs