
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত পাঁচজনের মধ্যে তিন সন্তানসহ এক মা ছিলেন। প্রবাসফেরত ছেলেকে নিয়ে বাড়িতে ফিরছিলেন তারা।
নিহতরা হলেন ঝিকরগাছার উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে আরিফ (২৫) ও রাকিব (১৮), মেয়ে আয়েশা (২৮) এবং স্ত্রী নুরজাহান বেগম (৫০)। এ ছাড়া প্রাইভেট কারের চালক যশোরের মণিরামপুর উপজেলার গৌরীপুর গ্রামের জাহিদ (৩২)।
পুলিশ জানিয়েছে, এদের মধ্যে আরিফ মালয়েশিয়া প্রবাসী।
এ ঘটনায় আহত তিন বছরের শিশু তাসফিয়া ও সাত বছরের শিশু হোসাইন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
আজ মঙ্গলবার ভোরে ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের ভাঙ্গা উপজেলার মালিগ্রাম নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তবে দুর্ঘটনার পর নিহতের পরিচয় তাৎক্ষণিক জানাতে পারেনি পুলিশ। মঙ্গলবার দুপুরে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, ভোরে ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকের পেছনে ধাক্কা দেয় প্রাইভেট কারটি।
আয়েশার স্বামী ইলিয়াস হোসেন বলেন, ‘আমার স্ত্রীর ভাই আরিফ দীর্ঘদিন মালয়েশিয়ায় ছিল। গতকাল আমার শাশুড়ি, আমার স্ত্রী, সন্তান এবং আরিফের ছোট ভাই রাকিব যশোর থেকে একটি প্রাইভেট কার নিয়ে তাকে আনতে ঢাকা বিমানবন্দরে যায়। বাড়ি ফেরার পথে ভাঙ্গা উপজেলার মালিগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় আমার স্ত্রী, শাশুড়ি এবং স্ত্রীর দুই ভাই মারা যান।’
নিহত চালক জাহিদের ভাই মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘আমার ভাই গতকাল গাড়ি নিয়ে ঢাকা বিমানবন্দরে প্রবাসী যাত্রী আনার জন্য গিয়েছিল। সকালে তার মৃত্যুর খবর পাই। এখন লাশ নিয়ে ফিরছি।’
নিহতদের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিবচর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান। তিনি জানান, এ ঘটনায় শিবচর হাইওয়ে থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।