
গোপনে কোর্ট ম্যারেজের মাধ্যমে বিয়ে করে ঢাকা কলেজ ছাত্রদল নেতা খালিদ পারভেজের বিরুদ্ধে স্ত্রীকে স্বীকৃতি না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এমন প্রেক্ষিতে ঢাকা কলেজ ক্যাম্পাসে দিনভর অবস্থান নিয়েছে ভুক্তভোগী তরুণী।
ভুক্তভোগী ওই তরুণীর দাবি, ফেসবুকে পরিচয়ের পর রাজধানী ঢাকার ঘাটারচরে একসাথে একটি ভাড়া বাসায় দীর্ঘদিন থাকতেন তারা। একপর্যায়ে বিভিন্ন শর্তের বেড়াজালে চলতি বছরের মার্চ মাসে বিয়ে করেন তারা। তবে বর্তমানে পারভেজ বিয়ের বিষয়টি অস্বীকার করছেন এবং সব ধরণের যোগাযোগ এড়িয়ে চলছেন।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকাল ১০টা থেকে ঢাকা কলেজের ফরহাদ হোসেন হলের সামনে ওই তরুণীকে দীর্ঘ সময় অবস্থান করতে দেখা যায়। ওই হলের আবাসিক ছাত্র খালিদ।
এদিকে তার উপস্থিতির বিষয়টি জানাজানি হলে শিক্ষার্থীদের তারা ভুক্তভোগী তরুণীকে বুঝিয়ে আইনের আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ নেন। বর্তমানে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ওই নারী ঢাকা কলেজের শহীদ মিনারের সামনে অবস্থান করছেন।
ভুক্তভোগী ওই তরুণী জানান, তিনি দুইদিন আগে ঠাকুরগাঁও থেকে তার স্বামী পারভেজের খোঁজে ঢাকায় এসেছেন। তিনি ঢাকায় কিছু চেনেন না। রাতে একটি হাসপাতালের বারান্দায় বসে রাত কাটিয়েছেন। এরপর সকালে অনেক কষ্টে ঢাকা কলেজের তার স্বামীর খোঁজে এসেছেন।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, আমাদের মধ্যে বিয়ে হয়েছে। কিন্তু এখন সে বিষয়টি অস্বীকার করছে। বিষয়টির সুরাহার আশায় আমি বাড়ি থেকে ঢাকায় এসেছি। পারভেজের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলে প্রথমে সে ফোনে জানায় ঢাকার বাইরে আছে। আবার একেক সময় একেক জায়গায় আছে বলে। একবার বলে সিলেটে আছে, অন্যবার বলে সুনামগঞ্জ। আমার সাথে যোগাযোগের সব মাধ্যম বন্ধ করে দিয়ে মোবাইল নম্বর ব্লক করে দিয়েছে।
জানা যায়, অভিযুক্ত পারভেজ ঢাকা কলেজের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী এবং ফরহাদ হোসেন হলের আবাসিক ছাত্র। তার গ্রামের বাড়ি ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার জনগাও গ্রামে।
