ফুটবল বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়নরা পাবে কত টাকা, অংশগ্রহণেও মিলবে অর্থ—মোট অঙ্ক জানলে চমকে যাবেন

 

ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি

 ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি © নিউজ১৮

২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপের কাউন্টডাউন শুরু হয়েছে। আগামী ১১ জুন থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডার যৌথ উদ্যোগে বসতে চলেছে বিশ্ব ফুটবলের এই মেগা আসর। এবারই প্রথম রেকর্ড ৪৮টি দেশ শিরোপার লড়াইয়ে নামবে। বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের নজর যেমন সোনালী ট্রফির দিকে, তেমনই অংশগ্রহণকারী দলগুলোর সামনে রয়েছে বিশাল আকর্ষণ—তা হলো রেকর্ড পরিমাণ প্রাইজমানি।

এবারের বিশ্বকাপে পুরস্কারের মোট অর্থের পরিমাণ অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে চুরমার করে দিয়েছে। কাতার বিশ্বকাপের ৪৪০ মিলিয়ন ডলারের প্রাইজমানি পুল এবার বাড়িয়ে করা হয়েছে ৬৫৫ মিলিয়ন ডলার। চ্যাম্পিয়ন দলের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে অবিশ্বাস্য ৫০ মিলিয়ন (৫ কোটি) মার্কিন ডলার বা বাংলাদেশি ৬১১ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। 

রানার্স-আপ দল পাবে ৩৩ মিলিয়ন ডলার বা ৪০৩ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। তৃতীয় স্থানা অধিকারী দল ২৯ মিলিয়ন ডলার বা ৩৫৪  কোটি এবং চতুর্থ স্থানে থাকা দল পাবে ২৭ মিলিয়ন ডলার বা ৩৩০ কোটি ১২ লাখ টাকা। কেবল নকআউট পর্বই নয়, গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেওয়া দলগুলোর জন্যও থাকছে মোটা অঙ্কের পুরস্কার।

আরও পড়ুন: মেসিকে অধিনায়ক করেই আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ দল ঘোষণা, বাদ কাতার বিশ্বকাপজয়ী তারকা

রাউন্ড অব ৩২-এ পৌঁছানো ১৬টি দলের প্রতিটি পাবে ১১ মিলিয়ন ডলার বা ১৩৪ কোটি টাকা করে। রাউন্ড অব ১৬-র আটটি দল পাবে ১৫ মিলিয়ন ডলার বা ১৪৩ কোটি টাকা। আর কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নেওয়া ৪টি দলের ঝুলিতে যাবে ১৯ মিলিয়ন ডলার বা ১৮১ কোটি টাকা করে। 

এমনকি গ্রুপ পর্ব থেকে ছিটকে গেলেও প্রতিটি দল সর্বনিম্ন ৯ মিলিয়ন ডলার বাড়ি নিয়ে যেতে পারবে। এ পারফরম্যান্স-ভিত্তিক প্রাইজমানি ছাড়াও দলগুলোর জন্য রয়েছে আরও আর্থিক সুবিধা। বিশ্বকাপে জায়গা করে নেওয়ার জন্য প্রতিটি দেশ পাচ্ছে ১০ মিলিয়ন ডলার বা ১২২ কোটি টাকার কোয়ালিফিকেশন বোনাস ও আড়াই মিলিয়ন ডলারের পার্টিসিপেশন বা অংশগ্রহণ ফি। 

সব মিলিয়ে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর জন্য ফিফার মোট বাজেট প্রায় ৮৭১ মিলিয়ন ডলার, যা ফুটবল ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এটি ১০ হাজার ৬৪৯ কোটি বাংলাদেশি টাকা। খবর: নিউজ১৮।

নবীনতর পূর্বতন

Smartwatchs