পরীক্ষায় দেখাননি সহপাঠী: মারধর করে হাসপাতালে প্রেরণ গোবিপ্রবি প্রতিনিধি ৩০ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:৩১ PM ভুক্তভোগী ও অভিযুক্ত শিক্ষার্থী (বা থেকে) ভুক্তভোগী ও অভিযুক্ত শিক্ষার্থী (বা থেকে) © টিডিসি ফটো পরীক্ষায় খাতা দেখে লিখতে না দেওয়ার জেরে সহপাঠীর কানে মারধরের অভিযোগ উঠেছে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (গোবিপ্রবি) সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী বিপ্র. এন. এম.-এর বিরুদ্ধে। আহত শিক্ষার্থী চন্দন মহন্তকে গুরুতর অবস্থায় গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। হাসপাতালে দায়িত্বরত ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার ডা. আফতাব জিলানী বলেন, রাত ১০টার দিকে রোগীকে ইমার্জেন্সিতে আনা হয়। হেড ইনজুরি থাকায় রোগীর শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। যদি রোগীর বমি বা অচেতন হওয়ার উপসর্গ দেখা দেয়, তাহলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। তবে বর্তমানে রোগীর অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে এবং তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ভুক্তভোগী চন্দন মহন্ত বলেন, বিপ্র. এন. এম. আমার ব্যাচমেট। পরীক্ষার সময় সে আমাকে খাতা দেখানোর জন্য চাপ দেয়। আমি রাজি না হয়ে নিজের মতো করে লিখতে থাকি। পরে সন্ধ্যার দিকে আমি এক সিনিয়র ভাইয়ের সঙ্গে ঘুরাঘুরি করছিলাম। এসময় তার সঙ্গে দেখা হলে পরীক্ষার খাতা না দেখানো নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে সে হঠাৎ আমার মাথা, কান ও পিঠে আঘাত করে। মাথায় প্রচণ্ড আঘাত পেয়ে আমি অচেতন হয়ে পড়ি। পরে ভাইয়েরা আমাকে হাসপাতালে নিয়ে আসে। বর্তমানে মাথা, কান ও পিঠে তীব্র ব্যথা অনুভব করছি। এ বিষয়ে অভিযুক্ত বিপ্র. এন. এম. অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, যদি কেউ প্রমাণ করতে পারে যে এমন ঘটনা ঘটেছে, তাহলে প্রমাণ করুক। আসলে এমন কোন ঘটনাই ঘটেনি। বিষয়টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করা হচ্ছে। সে আমার বন্ধু এবং হাসপাতালে আসার পর থেকে আমিই তার সঙ্গে ছিলাম। অভিযোগটি ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। এবিষয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনিসুর রহমান বলেন,আমি বিষয়টি শুনেছি যে, শিক্ষার্থী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। আমরা একজন শিক্ষককে হাসপাতালে পাঠিয়েছি। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, এক জায়গায় বসে কথাবার্তার সময় পরীক্ষার খাতা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে মারামারির ঘটনা ঘটে। আগামী রবিবার বিভাগ খোলার পর এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারি প্রক্টর সহকা অধ্যাপক মো. আরিফুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি সম্পর্কে আমরা অবগত হয়েছি। খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। লিখিত অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। Gnews.pngThe Daily Campus এর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন আরও দেখুন বই ও ই-বুক বিদ্যালয় সম্পর্কিত অ্যাপ ভ্রমণ গাইড বই অনলাইন শিক্ষা কোর্স ল্যাপটপ ও কম্পিউটার স্কুল সাপ্লাই দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা জার্নাল শিক্ষা সফরের প্যাকেজ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এর আরও সংবাদ ভর্তি পরীক্ষায় আসা শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের মধ্যে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ক্যাম্পেইন কুবি শিবিরের কবি নজরুল কলেজে সোহরাওয়ার্দী কলেজ শিক্ষার্থীদের নকলের ছড়াছড়ি দুই রাষ্ট্রপতির নামে থাকা সরকারি কলেজের নাম পরিবর্তন, প্রজ্ঞাপন জারি শেরপুরে সংঘর্ষে জামায়াত নেতা নিহতের ঘটনায় ববিতে বিক্ষোভ সাইবার মামলায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তা কারাগারে পে স্কেলের দাবিতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মানববন্ধন ট্যাগ:

 

ভুক্তভোগী ও অভিযুক্ত শিক্ষার্থী (বা থেকে)

 ভুক্তভোগী ও অভিযুক্ত শিক্ষার্থী (বা থেকে) © 

পরীক্ষায় খাতা দেখে লিখতে না দেওয়ার জেরে সহপাঠীর কানে মারধরের অভিযোগ উঠেছে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়  (গোবিপ্রবি) সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী বিপ্র. এন. এম.-এর বিরুদ্ধে। আহত শিক্ষার্থী চন্দন মহন্তকে গুরুতর অবস্থায় গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

হাসপাতালে দায়িত্বরত ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার ডা. আফতাব জিলানী বলেন, রাত ১০টার দিকে রোগীকে ইমার্জেন্সিতে আনা হয়। হেড ইনজুরি থাকায় রোগীর শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। যদি রোগীর বমি বা অচেতন হওয়ার উপসর্গ দেখা দেয়, তাহলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। তবে বর্তমানে রোগীর অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে এবং তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ভুক্তভোগী চন্দন মহন্ত বলেন, বিপ্র. এন. এম. আমার ব্যাচমেট। পরীক্ষার সময় সে আমাকে খাতা দেখানোর জন্য চাপ দেয়। আমি রাজি না হয়ে নিজের মতো করে লিখতে থাকি। পরে সন্ধ্যার দিকে আমি এক সিনিয়র ভাইয়ের সঙ্গে ঘুরাঘুরি করছিলাম।

এসময় তার সঙ্গে দেখা হলে পরীক্ষার খাতা না দেখানো নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে সে হঠাৎ আমার মাথা, কান ও পিঠে আঘাত করে। মাথায় প্রচণ্ড আঘাত পেয়ে আমি অচেতন হয়ে পড়ি। পরে ভাইয়েরা আমাকে হাসপাতালে নিয়ে আসে। বর্তমানে মাথা, কান ও পিঠে তীব্র ব্যথা অনুভব করছি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত বিপ্র. এন. এম. অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, যদি কেউ প্রমাণ করতে পারে যে এমন ঘটনা ঘটেছে, তাহলে প্রমাণ করুক। আসলে এমন কোন ঘটনাই ঘটেনি। বিষয়টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করা হচ্ছে। সে আমার বন্ধু এবং হাসপাতালে আসার পর থেকে আমিই তার সঙ্গে ছিলাম। অভিযোগটি ভিত্তিহীন ও বানোয়াট।

এবিষয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনিসুর রহমান বলেন,আমি বিষয়টি শুনেছি যে, শিক্ষার্থী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। আমরা একজন শিক্ষককে হাসপাতালে পাঠিয়েছি।

প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, এক জায়গায় বসে কথাবার্তার সময় পরীক্ষার খাতা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে মারামারির ঘটনা ঘটে। আগামী রবিবার বিভাগ খোলার পর এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারি প্রক্টর সহকা অধ্যাপক মো. আরিফুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি সম্পর্কে আমরা অবগত হয়েছি। খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। লিখিত অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নবীনতর পূর্বতন

Smartwatchs