বিএনপি নেতাদের হাতে নারী লাঞ্ছনার ঘটনা মিডিয়া ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এড়িয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ তুলেছেন জাকসু এজিএস (শিবির সমর্থিত প্যানেল) আয়েশা সিদ্দিকা মেঘলা। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, বিএনপির নেতারা যখন নারীদের পেটে লাথি মারে কিংবা বিবস্ত্র করতে চায়, তখন মিডিয়া নীরব থাকে, কিন্তু অন্য প্রসঙ্গে তারা ঠিকই উত্তাল হয়ে ওঠে।
ফেসবুক পোস্টে মেঘলা লেখেন, “জামায়াতের এক নেতা যখন মেয়েদের পতিতা বলল (যা কখনো কাম্য নয়) তখন মিডিয়া উত্তাল হয়ে উঠল। ২০ জনের সমাবেশে তিনজন মাইক হাতে কী বলল সেটা ১০০টা মিডিয়ায় দেখানো হলো। কিন্তু বিএনপির নেতারা যখন নারীদের পেটে লাথি মারে, নারীদের বিবস্ত্র করতে চায়, গায়ে হাত তোলে তখন সেগুলা ২০টা মিডিয়াতেও আসে না। ফেসবুকে আসে না।”
তথাকথিত নারীবাদীদের সমালোচনা করে তিনি আরও লেখেন, “পতিতা বলায় যে বাঘিনীরা জেগে উঠেছিল, তারা নারীকে উলঙ্গ করার কথা শুনে গর্তে লুকায়। নারীবাদীরা নারীর অধিকার চায়, নারীর নিরাপত্তা চায়। কিন্তু বোরকা হিজাব পরা নারীর অধিকার, নিরাপত্তা চায় না।”
একই পোস্টে মেঘলা আগামী ৩১ জানুয়ারি রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগের ডাকা ‘প্রতিবাদী সমাবেশ’-এর ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি এটিকে জামায়াতের একটি ‘যুগান্তকারী মুভমেন্ট’ বলে মন্তব্য করেন।
মেঘলা উল্লেখ করেন, “বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর যখন মহাসমাবেশ হলো তখন বলেছিলাম নারীদেরও এমন সমাবেশ হওয়া উচিত। ৩১ জানুয়ারি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জামায়াতের মহিলা বিভাগের সমাবেশ আছে। মহিলা জামায়াতের নিজেদের উপস্থাপন করার এটাই সেরা সুযোগ।”
তিনি আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামী নির্বাচনের আগে পলিসি সামিট করে যেমন চমক দিয়েছিল, এই মহিলা সমাবেশও তেমনি একটি চমক দেবে। তিনি জামায়াতের মহিলা বিভাগের নেতাদের কথা শোনার জন্য অপেক্ষায় আছেন বলেও জানান।